দেশে পাম্পগুলোতে জ্বালানি তেলের সংকট এখনো কাটেনি। এরইমধ্যে পাম্পে নেওয়ার মাঝপথে ডিপোর গাড়ি থেকে নামানো হচ্ছে তেল। সম্প্রতি দুই মিনিট ২২ সেকেন্ডের অবৈধ তেল বিক্রির এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে, যা নিয়ে চলছে সমালোচনা আলোচনা।
ভিডিওতে দেখা যায়, চুয়াডাঙ্গা-ট, ০-০০০৩ রেজিষ্ট্রেশন নাম্বারের তেলভর্তি ডিপোর ট্রাক সড়কের উপরে দাঁড়িয়ে। ট্রাকের উপরে দাঁড়িয়ে একজন বালতি দিয়ে একের পর এক তেল নামাচ্ছেন। নিচে দাঁড়িয়ে থাকা একজন তেলভর্তি সেই বালতি নিয়ে যাচ্ছেন সড়কের পাশে থাকা দোকানে। কয়েক বালতি তেল তিনি দোকানে নেন। ফিরতি বালতিতে পানি সাদৃশ্য কিছু একটা তরলবস্তু আবার ঢালছেন তেলের সেই ডিপোর ট্রাকে। পরে ঐ ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করলে দোকানি বলে জানান। তবে গাড়ির ওপরে থাকা ব্যক্তির নাম জিজ্ঞেস করলেও তিনি নাম বলেননি।
জানা যায়, দোকানির নাম আলী হোসেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মহাসড়কের পাশে দোকান বানিয়ে সড়কে চলাচলরত গাড়ির চোরাই তেল ক্রয় বিক্রয় করে আসছিলেন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে যশোর-ঝিনাইদহ মহাসড়কের যশোর সদরের সাতমাইল এলাকায় অবস্থিত আলী হোসেনের দোকানের সামনে ঘটনাটি ঘটেছে। প্রথমে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের সাংবাদিক আরিফ মোল্লার মোবাইলে চুরির এই দৃশ্য ধরা পড়ে। এরপর তার ফেসবুকে পোস্ট করার পর বুধবার থেকে ভাইরাল হয়।
কালীগঞ্জের সাংবাদিক আরিফ মোল্লা বলেন, খুলনার ডিপো থেকে জ্বালানি তেল নিয়ে চুয়াডাঙ্গায় যাওয়ার পথে চালক ও তার সহকারীরা চুরি করে বিক্রি করে দেন। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গলবার বেলা ১টার দিকে যশোর-ঝিনাইদহ মহাসড়কের যশোর সদর উপজেলার সাতমাইল এলাকায় অবস্থান নিই। সেখানে গাড়িটি আসার পর বালতিতে করে তেল নামিয়ে বিক্রি করছিল চালক ও সহকারী। শুধু মঙ্গলবার নয়, তারা নিয়মিত তেল চুরি করে বিক্রি করে দেন। যশোর থেকে কালীগঞ্জ পর্যন্ত তিন থেকে চারটি স্পটে তেল চুরি করে বিক্রি করেন চালক ও সহকারীরা।
তিনি বলেন, ভিডিওতে তাদের কাছে অনেক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করেছি। কিন্তু তারা সদুত্তর দিতে পারেননি। ভিডিও ফেসবুকে ছাড়ার পর ভাইরাল হয়েছে। তবে চুয়াডাঙ্গার কোনো পাম্পের গাড়ি সেটা জানা যায়নি।
তেল নামানোর স্থানটি যশোর সদরের হৈবতপুর ইউনিয়নের সাতমাইল এলাকায়। এই ইউনিয়নের ইউপি সদস্য আহম্মদ আলী বলেন, দোকানটি মহাসড়কের ফাঁকা মাঠের ভিতরে। বিভিন্ন গাড়ির চোরাই তেল ড্রাইভার হেলপারের যোগসাজশে তারা ক্রয় করে। পরে খুচরা দামে সেই তেল বিভিন্ন গাড়িতে বিক্রি করেন বলে তিনি অভিযোগ করেন।
এ বিষয়ে যশোর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সাফফাত আরা সাঈদ বলেন, অবৈধভাবে তেল চুরি করার ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। সেই ভিডিও আমি দেখেছি। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে দেকান মালিক আলী হোসেনের নাম্বারে যোগাযোগ করা হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
ভিডিওতে দেখা যায়, চুয়াডাঙ্গা-ট, ০-০০০৩ রেজিষ্ট্রেশন নাম্বারের তেলভর্তি ডিপোর ট্রাক সড়কের উপরে দাঁড়িয়ে। ট্রাকের উপরে দাঁড়িয়ে একজন বালতি দিয়ে একের পর এক তেল নামাচ্ছেন। নিচে দাঁড়িয়ে থাকা একজন তেলভর্তি সেই বালতি নিয়ে যাচ্ছেন সড়কের পাশে থাকা দোকানে। কয়েক বালতি তেল তিনি দোকানে নেন। ফিরতি বালতিতে পানি সাদৃশ্য কিছু একটা তরলবস্তু আবার ঢালছেন তেলের সেই ডিপোর ট্রাকে। পরে ঐ ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করলে দোকানি বলে জানান। তবে গাড়ির ওপরে থাকা ব্যক্তির নাম জিজ্ঞেস করলেও তিনি নাম বলেননি।
জানা যায়, দোকানির নাম আলী হোসেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মহাসড়কের পাশে দোকান বানিয়ে সড়কে চলাচলরত গাড়ির চোরাই তেল ক্রয় বিক্রয় করে আসছিলেন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে যশোর-ঝিনাইদহ মহাসড়কের যশোর সদরের সাতমাইল এলাকায় অবস্থিত আলী হোসেনের দোকানের সামনে ঘটনাটি ঘটেছে। প্রথমে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের সাংবাদিক আরিফ মোল্লার মোবাইলে চুরির এই দৃশ্য ধরা পড়ে। এরপর তার ফেসবুকে পোস্ট করার পর বুধবার থেকে ভাইরাল হয়।
কালীগঞ্জের সাংবাদিক আরিফ মোল্লা বলেন, খুলনার ডিপো থেকে জ্বালানি তেল নিয়ে চুয়াডাঙ্গায় যাওয়ার পথে চালক ও তার সহকারীরা চুরি করে বিক্রি করে দেন। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গলবার বেলা ১টার দিকে যশোর-ঝিনাইদহ মহাসড়কের যশোর সদর উপজেলার সাতমাইল এলাকায় অবস্থান নিই। সেখানে গাড়িটি আসার পর বালতিতে করে তেল নামিয়ে বিক্রি করছিল চালক ও সহকারী। শুধু মঙ্গলবার নয়, তারা নিয়মিত তেল চুরি করে বিক্রি করে দেন। যশোর থেকে কালীগঞ্জ পর্যন্ত তিন থেকে চারটি স্পটে তেল চুরি করে বিক্রি করেন চালক ও সহকারীরা।
তিনি বলেন, ভিডিওতে তাদের কাছে অনেক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করেছি। কিন্তু তারা সদুত্তর দিতে পারেননি। ভিডিও ফেসবুকে ছাড়ার পর ভাইরাল হয়েছে। তবে চুয়াডাঙ্গার কোনো পাম্পের গাড়ি সেটা জানা যায়নি।
তেল নামানোর স্থানটি যশোর সদরের হৈবতপুর ইউনিয়নের সাতমাইল এলাকায়। এই ইউনিয়নের ইউপি সদস্য আহম্মদ আলী বলেন, দোকানটি মহাসড়কের ফাঁকা মাঠের ভিতরে। বিভিন্ন গাড়ির চোরাই তেল ড্রাইভার হেলপারের যোগসাজশে তারা ক্রয় করে। পরে খুচরা দামে সেই তেল বিভিন্ন গাড়িতে বিক্রি করেন বলে তিনি অভিযোগ করেন।
এ বিষয়ে যশোর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সাফফাত আরা সাঈদ বলেন, অবৈধভাবে তেল চুরি করার ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। সেই ভিডিও আমি দেখেছি। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে দেকান মালিক আলী হোসেনের নাম্বারে যোগাযোগ করা হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
অনলাইন ডেস্ক